সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Live post

টেলিগ্রামের নিজস্ব সাইট নভেম্বর মাসে লিস্টেড হবে||When listed not pixel%relegram bot

  বন্ধুরা টেলিগ্রামের নিজস্ব সাইট Not pixel অতি দ্রুত গতিতে লিস্টেড হতে যাচ্ছে । হাতে আর মাত্র একমাস সময়ই রয়েছে আপনার । খুব ই ভালো একটা সাইট ।আপনি চাইলে নিচের লিংকে স্পর্শ করে Not pixel এর একজন সদস্য হয়ে  যেতে পারেন । টেলিগ্রামের নিজস্ব সাইট নভেম্বর মাসে লিস্টেড হবে|| https://t.me/notpixel/app?startapp=f7893095980

ক্লাস নাইনের সেই মেয়েটি-প্রেমের গল্প-তানভীর বিডি.কম

 ক্লাস নাইনের সেই মেয়েটা 

------


-------------------------

রনি তখন নবম শ্রেণিতে পড়ে। ক্লাসের সবার চেয়ে বয়সে বড় ছিলো সে।মোটাটামোটি অভিঙ। হিরো মার্কা চেহারা নিয়ে যাকেই প্রেমের প্রস্তাব করবে এক কথায় রাজি হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে ছাবিনা ও কার্পণ্য করলোনা। প্রথম যখন রনি ক্লাসে ভর্তি হলো সবাই একরকম  অবাক দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে রইলো।এতো সুন্দর  একটা ছেলে মানুষ হতে পারে! ক্লাসের আরো মেয়েরা তাকে মনে মনে গেথে ফেলেছে ইতিমধ্যেই ।কিন্তু ছাবিনা ছিলো আত্বমর্যাদা সম্পন্ন মেয়ে। ওর মনেও রনি স্থান পেয়েছে কিন্তু চেপে রাখলো।

রনি যখন ক্লাসে ঢুকতো তখন ও মায়ার চোখে রনির দুটি চোখের দিকে চেয়ে থাকতো আর ভাবতো তুমিতো আমার মনের রাজা। ভালোবাসি তোমাকে। 


রনির বাদরামী আর চাঞ্চল্যতা ছাবিনার এতো ভালো লাগতো যে, ক্লাসের সবার চোখ ফাকি দিয়ে আড়ালে গিয়ে দুচোখ ভরে দেখতো।

একদিন রনমাঠের মাঝখানে খেতে প্রচন্ড আঘাত পেলো।কপাল ফেটে গিয়ে রক্ত বের হলো। ছাবিনা বিদ‍্যালয়ের পেছনে থেকে শুধু পায়তাড়া করছে আর উকি মেরে দেখছে কি হলো রনির। মেয়েদের বুক ফাটেতো মুখ ফোটেনা। কাছেও যেতে পারছেনা। চোখের পানি কখন যে ওকে ফাকি দিয়ে ঝরতে লাগলো বুঝতে পারলোনা। 


সত‍্যিকারের ভালোবাসা  এমনি হয়। প্রিয়জনের কিছু হলে পাগলের মতো হয়ে যায় এটাই স্বাভাবিক।


ঐদিন রাতের বেলা সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে তখন।ছাবিনা ভাবতে লাগলো একটা অচেনা ছেলের কপাল বেয়ে রক্ত পড়লো তাতে আমার  এমন হলো কেনো! আমি কেনো ছটফট করলাম? আমার চোখে কেনো পানি আসলো ?


তবে কি আমি  ওকে ভালোবাসি? 

বিছানার এপাশ ওপাশ করতে করতে শুধু রনিকে নিয়ে ভাবতে লাগলো।


পরদিন রনির বিদ‍্যালয়ে আসতে দেরি হলে ছাবিনা একে ওকে জিঙ্গাসা করলো ও কেনো আসেনি?  ঐদিন সত‍্যিই রনি খুবই  অস্বুস্থ‍্য তাই আসতে পারেনি।কিন্তু সে যে এক কিশোরীর মন কিনে নিয়েছে তা  সে জানেনা।


কদিন ধরে ছাবিনার বান্ধবী রুবীনা ছাবিনাকে লক্ষ করলো যে, রনির  প্রতি ও দুর্বল হয়ে পড়েছে। রনি হাসলে ও হাসে, রনি দু:খ পেলে ও  র মন কালো হয়ে যায়।ব‍্যাপারটা খতিয়ে দেখতে রুবিনা একটা ফন্দি আটলো। রুবিনা রনিকে ব‍্যাপারটা জানালো এবং ছাবিনার কাছে   একটা ফুল উপহার দিলো।এতে ছাবিনার মনে কতটুকু আঘাত হানে এটাই দেখতে চাইলো।

হিতে বিপরীত হলো।ছাবিনা ঐ মুহূর্তে বাড়িতে চলে গেলো। পছন্দের মানুষটা  অন‍্য কারো হয়ে যাবে ভেবে বালিশে মুখ লাগিয়ে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাদতে লাগল।

রুবিনাতো রীতিমতো অবাক হয়ে গেলো।এখন কিভাবে কি করবে বুঝতে পারলোনা।আজ সাতদিন হলো ছাবিনা বিদ‍্যালয়ে আসেনা। অবশেষে ছাবিনার বাড়িতে গিয়ে দেখলো ওর শ্বারীরীক অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে গেছে। কিভাবে বুঝিয়ে বলবে যে ওর সাথে মজা করেছিলো সে। যাইহোক, ছাবিনাকে বুঝিয়ে বললো সব ঘটনা।এবার ছাবিনা রুবিনাকে জড়িয়ে ধরে কাদতে কাদতে বলে ফেললো ও রনিকে ছাড়া বাচবেনা।ভালোবাসে রনিকে।যেভাবেই হোক রনিকে বুঝিয়ে বলতে হবে।

রুবিনা কথা দিলো এটাই হবে।



পরদিন রনিকে সব ঘটনা খুলে বললো।রনি সবকিছু শুনে প্রেমের প্রস্তাবে সম্মতি দিলো। এবার দুজনের মহামিলনের পালা। কোথায় হবে তাদের প্রথম দেখা চিন্তায় পড়ে গেলো রুবিনা।ঠিক হলো ঠাকুরের দিঘিরপাড়ের ওদের।পড়ন্ত বিকেলবেলা হবাই যখন যার যার নিজ কাজে ব‍্যাস্ত তখন দুটি মানুষের মিলনের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে রুবিনা। রনি দিঘিরপাড়ে তালগাছের নিচে দাড়িয়ে আছে কখন মনের মানুষটি তার কাছে আসবে। ওদিকে ছাবিনা প্রিয়তমের জন‍্য সাজুগুজু করতে ব‍্যাস্ত। হলুদকোটা শাড়ি পরে কপালে টিকলি ঝুলিয়ে ছাবিনাকে আজ খুবই সুন্দরী দেখাচ্ছে।ছাবিনাও অনেক খুশী মনের রাজার কাছে আসছে। রূবিনা দাড়িয়ে আছে ছাবিনার আসার অপেক্ষায়।

কিছুক্ষণ পর দুর থেকে দেখলো হলুদকোটা শাড়ি পরে আকাশের নিল পরী দিঘীর দিকে আসছে।রনি ও তার আসার অপেক্ষায় ব‍্যাকুল হয়ে  আছে কখন আসবে সে।অবশেষে অপ‍েক্ষার অবসান ঘটিয়ে ছাবিনা এসে দাড়ালো রুবিনার সামনে।রনি লজ্জায়  ওদিকে মুখ ফিরিয়ে নিলো।ছাবিনার বুক ধড়পড় করছে।দুজনে যেনো মহা আনন্দে আছে এই মুহূর্তে।রুবিনা এবার ছাবিনার হাতটা শক্ত করে ধরে বললো চলো হে রুপবতী রাণী! তোমাকে তোমার  ভালোবাসার কাছে নিয়ে যাই।এই বলে রনির কাছে গিয়ে দাড়ালো। দুজনকে এক করে দিয়ে ঐ স্থান ত‍্যাগ করলো রুবিনা।


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Letter to the deceased father | বাবার কাছে চিঠি||ইংরেজী অনুবাদ সহ।|

  প্রিয়, বাবা, জানি ঐ কবরে আছো কিন্তু আমরা ভালো নেই। বাবার পর আমাদের ভবিষ্যৎ নিলো অন্য বাবার মৃত্যু আমাদের ভাইবোনের দিকে পেটের খাবার কেড়ে নিয়ে গেছে। আমার ছেলের মুখের হাসি কেড়ে নেবেন। কিন্তু এখন তোমার মৃত্যু তাকে অসহায় করবে। বাবার মৃত‍্যু আমাদের ভিটে পাঠান।  বাবা বেচেল হাত পেতে আজ তারা আমাদের শিকারের মতো ব‍্যাহার করে। আমার বাবা আপন ভাইয়ের মতো আদর যত্ন কর। বাবার সাথে যখন ঘুরতে যেতাম তখন আমার মাকে সব আঙ্কেল রা বল ভাবি আপনি কি অবস্থা করছেন? আর এখনই মেম্বরের বউ মাকে বীনা কেন দূর করে তাড়িয়ে দেয়।  হ্যারে বাবা...😰😰😨 তুমি মরে যাওয়ার পরে আমাদের জন্মের ঠিক নেই। তোমার হাতে লাগানো আমি গাছে এখন আমি। তুমি আমাদের জন‍্য লাগিয়েছিলে, কিন্তু এখন রাজনীতির কাছে। বাবা জানো! তোমার সেই গাছের গাছে আমি কেন জানি আমার বাড়িতে আমার ছেলে। বাবা কেন তুমি আমাদের ছেড়ে চলে গেলে?  আমার মনে আছে, তোমার যেদিন দাফন করা, ঐদিন ও আমাদের দুধের গাভী।  আপনার কাছে যেতে আমাদের পেটে আহার দিতে না রাজকারন, তাহকে অন্যের কাছে। বাবা তোমার অনুপস্থিতিতে আমরা কষ্টে আছি রেতুমি ছিল আমাদের মাথার ছায়াযুক্ত...

ফুরাত নদীতে স্বর্ণ না তেলের খনি উঠবে রাসূল সা: এর ভবিষ্যত বাণীর ব‍্যাখ‍্য জানুন-তানভীর ডট কম

সম্প্রতি ইউটিউবে একটি ভিডিওতে একজন বিশিষ্ট আলেম ফুরাত নদী সম্পর্কে ভবিষ্যৎ  বাণী ব‍্যাখ‍্যা করেছেন।রাসূল সা: ফুরাত নদি সম্পর্কে  বলেছেন যে,"যতক্ষন না পর্যন্ত ফুরাত নদীর পানি শুকিয়ে একটি স্বর্ণের পাহাড় বের হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত সংগঠিত হচ্ছেনা। "। রাসূল সা: আরও  একটি ভবিষ্যৎ বাণী  করেছেন,"অচিরেই ফুরাত নদী শুকিয়ে একটি স্বর্ণের পাহাড় বের হবে।" এখন আজকে আমাদের মূল কথা হচ্ছে, রাসূল সা: স্বর্ণের পাহাড় বলতে সত‍্যি কি স্বর্ণকে বুঝিয়েছেন? নাকি অন‍্য কিছুকে স্বর্ণের মূল‍্যের সাথে তুলনা করে বলেছেন?  আপনাদের কি মনে হয়? * আমরা জানি বর্তমানে  রাশিয়া-ইউক্রেন  যুদ্ধ চলছে।এখানে ইউরোপের দেশ গুলো রাশিয়া তেল নেওয়া বাতিল করেছে। রাশিয়া ও ইউরোপে তেল রপ্তানি করা বন্ধ করে দিয়েছে।ফলে ইউরোপের বাজারে তেলের সংকট দেখা দিয়েছে প্রকট।ফলে ইউরোপ দেশগুলো বিকল্প রাস্তা খুচছে। আপনারা ভাবছেন ফুরাত নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ার সাথে তেলের কি সম্পর্ক?  তবে ঐ বিশিষ্ট আলেম রাসূল সা: এর ভবিষ্যত বাণীর এই ব‍্যাখ‍্যা দেন যে, রাসূল সা: স্বর্ণের পাহাড়ের ব‍্যাখ‍্যা হচ্ছে তেল। অর্থাৎ রাসূল সা: তেল ...

যে কারনে আত্বসসমর্পণের পর ডেসটিনির রফিকুলের স্ত্রীকে কারাগারে দিলো আদালত

  গ্রাহকের১ ৮৬১ কোটি টাকা আত্বসাত করায় ডেসটিনির  রফিকুল  আলমের স্ত্রী  ফারাহ দিবাকে কারাগারে দিয়েছে আদালত।ফারাহ দিবা ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজকোর্টে আত্বসমর্পণ করে জামীনের আবেদন করলে আদালত তা নাকোচ করে দেয়। জামীনের আবেদন নাকোচ করে দেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী  আহমেদ আলম সালাম। ফারাহ দিবার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন শহিদুল ইসলাম অনি।গ্রাহকের অর্থ  আত্বসাতের দায়ে গত ১২ মে রফিকুল  আলমসহ ৪৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয় আদালত। এছাড়াও  আসামিদের ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়। রায়ে রফিকুল  ইসলামকে  ১২ বছরের সাজা ও ২০০ টাকা জরিমানা করে আদালত।মামলায় ফারাহ সহ ৩৯ জন পালাতক ছিলেন।দশ বছর আগে দুর্নীতি কমিশনের করা মামলায় ৪৬ জন আসামীর সবাইকে দোষী সাব‍্যস্ত করে ঢাকার চতুর্থ বিশেষ আদালতের বিচারক নাজমুল  আলম এই রায় দেন।